Posts

কবে থেকে স্যালারি ঢুকবে এই মর্মে DI অফিস ও বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন দিল শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা

Image
শুভকল্যাণ বিশ্বাস,বারাসাত-  আজ বিকাশ ভবন ও বারাসাত DI অফিসে সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ক্রমে  শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীদের পুনরায়  স্যালারি চালুর দাবিতে ডেপুটেশন দিল কয়েকশ শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মীরা। তাদের দাবী স্কুলের স্যালারি পোর্টালে অবিলম্বে নাম ঢুকিয়ে এই মাস থেকে স্যালারি চালু করতে হবে। যেখান সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের আপাতত স্কুলে যেতে বলেছে। সেক্ষেত্রে তাদের স্যালারি প্রাপ। ফেব্রুয়ারী, মার্চ ও এপ্রিল এই তিন মাসের মাইনে পায়নি গ্রুপ D কর্মীরা। গ্রুপ C ও ক্লাস (ix) ও (x) দুই মাসের মাইনে পায়নি। DI এর কাছে লিখিত আবেদন জানানোর পরে DI আশ্বাস দিয়ে বলেন, আমরা মধ্যশিক্ষা পর্ষদ থেকে চিঠি পেয়েছি যত দ্রুত সম্ভব এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

কেন রাজনীতি সেবা নয় পেশা, জানলে আপনিও হতে পারেন ----? Why politics is not a service but a profession?

Image
শুভকল্যাণ বিশ্বাস - আমরা জানি রাজার নীতি রাজনীতি। পুরান, বেদ, সাহিত্য, ধর্মগ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ থেকে আমরা জানতে পারি, রাজা প্রজাদের কল্যাণে যে নীতির ব্যবহার করতেন সেটাকেই রাজনীতিক হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। কিন্তু রাজা যদি প্রজাদের কল্যাণ বাদ দিয়ে নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য নীতি প্রয়োগ করতেন সেটাকে বলা হতো কূটনীতি। সারা বিশ্বের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিচার বিশ্লেষণ করে বোঝা যায়,কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সেই রাষ্ট্রের প্রজা বা জনগণের কল্যাণের জন্য যে বৈদেশিক নীতির ব্যবহার করেন বা প্রয়োগ করেন সেটাকে বর্তমান সময়ে বলা হয়ে থাকে বিদেশনীতি অর্থাৎ পূর্বে বা পুরাণে এটাকে বলা হত  কূটনীতি।  বেদ পুরাণ ঘাঁটলে দেখা যায়  দেবতাদের মধ্যে মতানৈক্য ছিল। এই মতানৈক্য থেকেই জন্ম হতো কূটনীতির। নিজের ক্ষমতা জাহির বা প্রদর্শন করার জন্য  দেবতাদের মধ্যে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হত। আর নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দিতা করার কারণেই কোনো কোনো সময় অসুররা দেবতাদের পরাজিত করে দিত যুদ্ধে। এক কথায় বলতে গেলে দেবতাদের মধ্যে ঐক্য ছিলনা। দেবরাজ ইন্দ্র সবসময় নিজেদের মধ্যে লবি বাজি করে নিজেকে জা...

ভারতের গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ কিছু মিডিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা কেন প্রশ্নচিহ্নের মুখে?

Image
দীপশিখা ব্যানার্জী, মোটিভেটর এনিটাইম - ভারতের চলচ্চিত্র জগতের মেগাস্টার শাহরুখ খান এর জ্যেষ্ঠপুত্র ড্রাগ সেবন ও পাচারের দায়ে অভিযুক্ত হয়ে প্রায় 15 দিন হাজতবাস করেছেন.  শাহরুখ পুত্র আরিয়ান তার বন্ধুদের সঙ্গে ড্রাগ সেবনে অভিযুক্ত হয়ে বন্ধুদের সঙ্গে জেলে গেছেন.  আরিয়ান যে কয়দিন জেলে ছিলেন ভারতবর্ষের সমস্ত মিডিয়া চ্যানেলে তার খবর সম্প্রচারিত হয়েছে. অপরাধ করে জেলে যাওয়ার পরও এভাবে ভিডিও কভারেজ পাওয়া যায় ভারতবর্ষ এটাই প্রথম দেখলো. সঞ্জয় দত্ত অপরাধ করে জেল খেটেছেন. তার বাবা এবং দিদি  লোকসভার সাংসদ ছিলেন.  কিন্তু তিনি দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেল খেটেছেন. তখন কিন্তু সঞ্জয় দত্ত এতটা মিডিয়া কভারেজ পাননি. যেটা আজকে পেয়ে গেলেন কিং খানের ছেলে আরিয়ান খান. ভারতবর্ষের মিডিয়া এটাকে এমনভাবে প্রচার করেছে মনে হচ্ছে আরিয়ান খান নির্দোষ. আরিয়ান খান জামিন পাওয়ার পর দেশের কিছু মিডিয়া এটাকে এমন ভাবে দেখাতে শুরু করেছে মনে হচ্ছে তিনি দেশের জন্য নোবেল পেয়েছেন. আর জামিনের বেলবন্ডে স্বাক্ষর  করেছেন বোম্বের স্বনামধন্য অভিনেত্রী  জুহি চাওলা. দেশের সাধারণ মানুষে...

কি ভাবে ভোট করে জিতে আসতে হবে বিজেপি কে সোশ্যাল মিডিয়ায় উপদেশ সাধারণ মানুষের.

Image
শুভকল্যাণ বিশ্বাস, মোটিভেটর এনিটাইম - গোসোবা উপনির্বাচনে কিভাবে ভোটে বিজেপিকে জিতে আসতে হবে সে বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে উপদেশ দিচ্ছেন সাধারন মানুষ.  কিভাবে ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে হবে কিভাবে গণনা করতে হবে সমস্ত উপদেশ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ দিয়ে চলেছে.  অর্থাৎ মানুষ হতাশ হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল দেখে. তাই কিভাবে বিজেপি জিতবে সে বিষয়ে উপদেশ দিতে এগিয়ে আসছে সাধারণ মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে.  সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট হওয়া একটা কমেন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরা হোলো.  এই মতামতটি সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার. মতামত @  জরুরী কিছু কথা, দয়া করে পড়ুন  : - বিগত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ভোটদাতারা অবাক হয়েছে । তাদের প্রশ্ন  , আমরা ভোট দিলাম বিজেপিকে কিন্তু কি করে জিতলো তৃণমূল ? এইজন্য বিজেপি নেতৃত্ব সমেত কর্মীদের বেশ কিছু করণীয় ব্যবস্থার উল্লেখ করছি ।   বিজেপি নেতৃত্ব এবং কর্মীদের উচিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বুঝিয়ে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ানোর জন্য বুথে পাঠানো । নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাস করে , সতর্ক না হলে ...

বাংলাদেশে হিন্দুদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রানী রাসমণি রোডে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিক্ষোভ সমাবেশ.

Image
দেবলীনা শাঁখারী, মোটিভেটর নিউস, কোলকাতা - আজ প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ডাকে বিক্ষোভ সমাবেশে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত হয়েছে রানী রাসমণি রোড এর ধর্ম তলায়. পঞ্চমীর দিন থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অমানবিক অত্যাচারের প্রতিবাদে এই বিক্ষোভ সমাবেশ.  বাংলাদেশি জিহাদী মৌলবাদী শক্তি হিন্দুদের তীর্থস্থান, উপসনা স্থান, ইসকন মন্দির, রামকৃষ্ণ মঠ, অস্থায়ী পূজা মন্ডপ কোন কিছুতেই ছাড় দেয়নি জেহাদী শক্তি মৌলবাদীরা.  বিগত দুমাস ধরে প্রি প্ল্যান করে জামাত ইসলামের মৌলবীরা হিন্দুদের তীর্থস্থান গুলি ধ্বংসের নীল নকশা তৈরি করেছিল.  দুর্গা মণ্ডপে কোরান শরীফ রাখা ছিল সেই নীল নকশা প্রথম অঙ্গ.  নোয়াখালীর এই পূজা মন্ডপ কে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে. বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলাতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে থাকে প্রায় প্রত্যেক দিন ধরে আজ পর্যন্ত.  বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক নেতা বলেন,হিন্দুদের বাড়িঘর লুটপাট করে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে নিচ্ছে. হিন...