কি ভাবে ভোট করে জিতে আসতে হবে বিজেপি কে সোশ্যাল মিডিয়ায় উপদেশ সাধারণ মানুষের.
শুভকল্যাণ বিশ্বাস, মোটিভেটর এনিটাইম - গোসোবা উপনির্বাচনে কিভাবে ভোটে বিজেপিকে জিতে আসতে হবে সে বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে উপদেশ দিচ্ছেন সাধারন মানুষ.
কিভাবে ভোটে তৃণমূলের সঙ্গে লড়াই করতে হবে কিভাবে গণনা করতে হবে সমস্ত উপদেশ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ দিয়ে চলেছে.
অর্থাৎ মানুষ হতাশ হয়েছে এবারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল দেখে. তাই কিভাবে বিজেপি জিতবে সে বিষয়ে উপদেশ দিতে এগিয়ে আসছে সাধারণ মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে.
সোশ্যাল মিডিয়াতে পোষ্ট হওয়া একটা কমেন্ট আপনাদের সামনে তুলে ধরা হোলো.
এই মতামতটি সম্পূর্ণভাবে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার.
মতামত @
জরুরী কিছু কথা, দয়া করে পড়ুন : - বিগত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলে ভোটদাতারা অবাক হয়েছে । তাদের প্রশ্ন , আমরা ভোট দিলাম বিজেপিকে কিন্তু কি করে জিতলো তৃণমূল ? এইজন্য বিজেপি নেতৃত্ব সমেত কর্মীদের বেশ কিছু করণীয় ব্যবস্থার উল্লেখ করছি । বিজেপি নেতৃত্ব এবং কর্মীদের উচিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের বুঝিয়ে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ানোর জন্য বুথে পাঠানো । নির্বাচন কমিশনকে বিশ্বাস করে , সতর্ক না হলে ভোটের ফল বিজেপির জন্য খারাপ হতে পারে । ভুয়ো অফিসার ঢুকে যেন ভোটের কাজ পরিচালনা করতে না পারে , ভোটের পরে নির্বাচন কমিশনকে ম্যানেজ করে স্ট্রং রুমে গিয়ে ভোটিং মেশিনে যেন তৃণমূলের কেউ ফলাফল গরমিল না করতে পারে , নির্বাচনের দিন সঠিক সময়ের আগে বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকা অবস্থায় যেন একটিও বুথে মক পোল না হয় , যদি বিজেপির এজেন্ট না থাকা অবস্থায় সঠিক সময়ের আগে মক পোল হয়ে যায় , বিজেপির এজেন্টরা যেন নিজেদের দলের ইলেকশন এজেন্ট অথবা( বিজেপির ) প্রার্থীকে জানায় , ভোট দান প্রক্রিয়া শেষ হলে ব্যাটারির চার্জ কত % আছে সেটাও প্রনাম রাখার ব্যবস্থা হোক । ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ন শেষ হয়ে EVM গাড়িতে উঠিয়ে গাড়ি না ছাড়া পর্যন্ত একজনও পোলিং এজেন্ট যেন বুথ এলাকা ছেড়ে না যায় । প্রয়োজনে যে গাড়িতে EVM মেশিন নিয়ে যাওয়া হবে স্ট্রং রুম পর্যন্ত সেই গাড়ির প্রতি নজর রাখতে হবে । মনে রাখবেন বিগত বিধানসভা ভোট প্রক্রিয়া চালাকালীন সময়ে , উলুবেড়িয়ায় এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে EVM মেশিন পাওয়া গিয়েছিল । যে ঘটনা সংবাদ মাধ্যমে দেখানো হয়েছিল । কিন্তু বিজেপি নেতৃত্ব ঘটনাটার ব্যাপারে ভাবে নি । যারা কাউন্টিং এজেন্ট হবে তারা যেন বিশ্বাসযোগ্য হয় । তাদের সঠিকভাবে প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে । গণনা কেন্দ্রে কাউন্টিং এজেন্টরা যেন সতর্কতার সাথে এবং সঠিকভাবে সবকিছু জেনে নেয়, গননা কেন্দ্রে উপস্থিত তৃণমূলের নেতৃত্ব অথবা তৃণমূলের কাউন্টিং এজেন্টরা যে কোনো রকম মিথ্যা কথা বলে মন ভেঙে দিতে পারে এবং ভুল বোঝাতে পারে তাদের কথা শোনার দরকার নেই । গণনা কেন্দ্রে EVM মেশিনে জালিয়াতি করা হয়েছে মনে হলে , কাউন্টিং এজেন্ট উপস্থিত হওয়ার আগেই সিল কাটা হয়েছে মনে হলে, ভুয়ো অফিসার আছে মনে হলে কাউন্টিং এজেন্টরা যেন দলের ( বিজেপির ) প্রার্থী অথবা দলের ( বিজেপির )ইলেকশন এজেন্টকে জানায় , প্রত্যেক ধরনের গণনা যেমন - ব্যালট পেপার, EVM , V.V Pad এই গুলির গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউন্টিং এজেন্টরা যেন সতর্কতার সাথে গণনা কার্যে মনোনিবেশ করে। অন্য দলের যদি ডামি প্রার্থীরা থাকে , ভোটের বুথ তাদের বুথ এজেন্ট এবং গণনার দিন কাউন্টিং এজেন্টরা হয়তো নিজেদের দলের সুবিধার জন্য কাজ করবে । প্রয়োজন মনে করলে তারা সবাই ,বুথে এবং গণনা কেন্দ্রে অশান্তি করে বিজেপির বুথ এজেন্ট সমেত কাউন্টিং এজেন্টদের কাজে বাধা দিতে পারে । সেইজন্য বিজেপির বুথ এজেন্ট এবং কাউন্টিং এজেন্টদের চরম সতর্ক থাকতে হবে। যদি গণনায় কোনো বিতর্ক হয় , গণনা কেন্দ্রে উপস্থিত দলের ( বিজেপির )প্রার্থী অথবা দলের ( বিজেপি প্রার্থীর ) ইলেকশন এজেন্টের উপস্থিতিতে বিতর্কের যুক্তিসঙ্গত ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত , দায়িত্ব প্রাপ্ত দলের কাউন্টিং এজেন্টরা যেন গণনা নিশ্চিত করনের ফর্মে সাক্ষর না করে । দলীয় প্রার্থী জয়ের সার্টিফিকেট গ্রহণ করার পরে যেন গণনা কেন্দ্রে উপস্থিত দলের সবাই গণনা কেন্দ্র ছাড়ে । এই বিষয় গুলি বিবেচনা করা খুবই জরুরী ।
এখন প্রশ্ন হলো এই সমস্ত ভুল গুলো তাহলে বিজেপি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে করেছে. এবারের নির্বাচনের ফল দেখে নেতাদের থেকে সাধারণ মানুষ হতাশ হয়েছে বেশি. যদিও এবারের উপনির্বাচনে যে কটি আসনে ভোট হতে চলেছে তার মধ্যে হয়তো একটি আসন বিজেপি জিততে পারে. নাও পারে.
সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হলেই তবে জয়ের সম্ভাবনা থাকবে.
Comments
Post a Comment